Homeকলকাতানারকেলডাঙা গণধর্ষণ মামলায় প্রমাণের অভাব, চার অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস দিল পকসো আদালত

নারকেলডাঙা গণধর্ষণ মামলায় প্রমাণের অভাব, চার অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস দিল পকসো আদালত

নিউজ ডেস্ক: ২০২২ সালে কলকাতার নারকেলডাঙা থানা এলাকায় ঘটে যাওয়া চাঞ্চল্যকর কিশোরী অপহরণ ও গণধর্ষণ সংক্রান্ত মামলায় চার অভিযুক্ত যুবককেই
Narkeldanga PS

নিউজ ডেস্ক: ২০২২ সালে কলকাতার নারকেলডাঙা থানা এলাকায় ঘটে যাওয়া চাঞ্চল্যকর কিশোরী অপহরণ ও গণধর্ষণ সংক্রান্ত মামলায় চার অভিযুক্ত যুবককেই বেকসুর খালাস দিল আদালত। বৃহস্পতিবার শিয়ালদহের বিশেষ পকসো (POCSO) আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণের ঘাটতি ও মারাত্মক অসঙ্গতির জেরে ধৃত চারজনকে মামলা থেকে সম্পূর্ণ অব্যাহতি ও মুক্তির নির্দেশ দেয়।

Table of Contents

    আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, চার্জশিটে পেশ করা মেডিকেল রিপোর্ট, ফরেনসিক তথ্য, ঘটনাস্থলের সচিত্র বিবরণ এবং সাক্ষীদের বক্তব্যের মধ্যে চরম অসঙ্গতি ধরা পড়ে বিচারকের নজরকাড়া পর্যবেক্ষণে। মুক্তিপ্রাপ্ত যুবকদের পক্ষে আইনজীবী রবিউল হক আদালতের রায় নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে জানান, “এই মামলায় এক যুবকের বিরুদ্ধে নাবালিকাকে অপহরণ এবং অপর তিনজনের বিরুদ্ধে গণধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছিল। কিন্তু আদালতে কোনো অভিযোগই তথ্য-প্রমাণ সহ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়নি। এই রায়ের মাধ্যমে পরিষ্কার হয়ে গেল যে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছিল।” অন্যদিকে, মামলার এই রায় প্রসঙ্গে সরকারি কৌঁসুলি জানান, কোর্টের চূড়ান্ত নথিপত্র খতিয়ে না দেখে মন্তব্য করা ঠিক হবে না।

    মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২২ সালে বসিরহাট থেকে ১৫ বছর বয়সি এক কিশোরীকে এক যুবক কলকাতায় নিয়ে আসে। অভিযোগ ছিল, কিশোরীকে মাদক মেশানো খাবার খাইয়ে অচৈতন্য করে শিয়ালদহ স্টেশনে আনা হয়। সেখান থেকে হোটেল খোঁজার নাম করে তিন মোটরসাইকেল আরোহী যুবক তাকে রাজাবাজারের কাছে একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করে বলে দাবি করা হয়। টহলদার পুলিশের কাছে কিশোরী লিখিত জানালে নারকেলডাঙা থানার পুলিশ অপহরণ ও গণধর্ষণের অভিযোগে দ্রুত চারজনকে গ্রেফতার করে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠায়। দীর্ঘ আইনি বিচার প্রক্রিয়া শেষে অবশেষে সবকটি ধারা থেকেই অভিযুক্তদের নিশর্ত মুক্তি দিল বিশেষ পকসো আদালত।

    No Comments

    তাজা খবর