
নিউজ ডেস্ক: শ্রীরামপুর কোর্ট মাঠে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভায় কত জনের জমায়েত হয়েছিল, তা নিয়ে রাজনৈতিক তরজা অব্যাহত। এরই মধ্যে কলকাতা হাই কোর্টে পুলিশের জমা দেওয়া রিপোর্টে সভাস্থলে আনুমানিক ৩৫০ জন কর্মী-সমর্থক উপস্থিত ছিলেন বলে জানানো হয়েছে। যদিও এই পরিসংখ্যান মানতে নারাজ কালীঘাটপন্থী তৃণমূল নেতৃত্ব। তাঁদের দাবি, সভায় কয়েক হাজার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
২৬ সেপ্টেম্বর শ্রীরামপুর কোর্ট মাঠে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভার অনুমতি দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্ট। তবে সভার ক্ষেত্রে একাধিক শর্তও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছিল। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, সর্বোচ্চ ১,০০০ জনকে নিয়ে সভা করার অনুমতি ছিল। পাশাপাশি সভার সময়, শব্দের মাত্রা, রাস্তা অবরোধ না করা এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার মতো একাধিক নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
সভা শেষ হওয়ার পর থেকেই জমায়েতের সংখ্যা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়। পুলিশের রিপোর্টে এবার প্রায় সাড়ে তিনশো মানুষের উপস্থিতির কথা উঠে এসেছে। এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে।
কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের পক্ষ থেকে অবশ্য পুলিশের হিসাব নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তাঁদের বক্তব্য, সভার সময় মাঠের পাশাপাশি সংলগ্ন রাস্তাতেও মানুষের ভিড় ছিল। বৃষ্টি এবং মাঠে জল-কাদার কারণে অনেকে মাঠের ভিতরে না থেকে রাস্তার ধারে দাঁড়িয়েছিলেন বলেও তাঁদের দাবি। ফলে শুধুমাত্র মাঠের উপস্থিতি দিয়ে মোট জমায়েতের সংখ্যা বিচার করা ঠিক নয় বলে দাবি করেছেন দলের নেতারা।
অন্য দিকে, বিজেপির পক্ষ থেকে পুলিশের রিপোর্টকে সামনে রেখে তৃণমূলের সভা নিয়ে কটাক্ষ করা হয়েছে। ফলে সভায় ঠিক কত জন মানুষ উপস্থিত ছিলেন, তা নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্যে এখনও বিস্তর ফারাক রয়েছে।
তবে আদালতে জমা পড়া পুলিশের রিপোর্টে ৩৫০ জনের উপস্থিতির যে হিসাব দেওয়া হয়েছে, সেটিই এখন এই বিতর্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হয়ে উঠেছে। সভার অনুমতির সময় আদালত যে ১,০০০ জনের সর্বোচ্চ সীমা বেঁধে দিয়েছিল, পুলিশের রিপোর্ট অনুযায়ী সেই সীমা অতিক্রম হয়নি।
একটি স্বাধীন ডিজিটাল সংবাদ মাধ্যম, যার লক্ষ্য শুধু সংবাদ পরিবেশন নয়— মানুষের কথা, মানুষের অধিকার এবং সমাজের বাস্তব চিত্রকে নির্ভীকভাবে তুলে ধরা।
Copyright 2026 NGTV News. All rights reserved
No Comments