Last updated: August 26th, 2026 at 12:47 pm

নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় বড়সড় রদবদল ঘটতে পারে— রাজধানীর রাজনীতিতে যখন এই জল্পনা চরম সীমায়, ঠিক তখনই বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গডকড়ীর একটি মন্তব্য ঘিরে জোর চর্চা শুরু হলো রাজনৈতিক মহলে। নাগপুরের একটি অনুষ্ঠানে খোলামেলা সুরে তিনি জানান, কাজের দৌড়াদৌড়ি আগের তুলনায় অনেকটাই কমে এসেছে তাঁর। তাই এ বার নতুন প্রজন্মের কাঁধে গুরুদায়িত্ব সঁপে দেওয়ার উপযুক্ত সময় উপস্থিত।
দীর্ঘ তিন দশকের রাজনৈতিক পথচলায় বহু রোদ-ছায়ার সাক্ষী থেকেছেন গডকড়া। বিগত ৩০ বছরের দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা স্মরণে এনে তিনি বলেন, “বহু বছর ধরে জনসেবার কাজের সঙ্গে যুক্ত। অনেক উত্থান-পতন যেমন দেখেছি, তেমনই জুটেছে নানা পুরস্কার ও স্বীকৃতিও। তবে সময়ের নিয়মেই এখন আর আগের গতিতে কাজ করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। তাই নতুনদের পথ ছেড়ে দেওয়া এবং তাঁদের সঠিক দিশা দেখানোই এখন বয়োজ্যেষ্ঠদের মূল কাজ হওয়া উচিত।”
তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, সম্প্রতি ভারতীয় জনতা পার্টির কেন্দ্রীয় সংগঠনে ব্যাপক রদবদল ঘটেছে। সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীনের ঘোষিত নতুন টিমে ৬৫ জন সদস্যের মধ্যে ৫১ জনই একেবারে নতুন মুখ। পাশাপাশি স্থান পেয়েছেন বসুন্ধরা রাজে, রাম মাধব ও স্মৃতি ইরানির মতো হেভিওয়েট নেতারা। কেন্দ্রীয় সংগঠনে এই বিশাল রদের পরেই জল্পনা তীব্র হয় যে, মোদী ৩.০ মন্ত্রিসভাতেও বড় মাপের পরিবর্তন হতে চলেছে। আর ঠিক এই সন্ধিক্ষণেই গডকড়ীর এমন মন্তব্য জল্পনার আগুনে ঘি ঢেলেছে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০১৪ সাল থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব সামলাচ্ছেন গডকড়া। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ইথানল মিশ্রিত পেট্রোল (E-20) চালু করাকে কেন্দ্র করে প্রবল সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে তাঁকে। সূত্রের খবর, এই ইস্যুতে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠিও লিখেছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, দলের আইটি সেল ও সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে নেতিবাচক প্রচার চালানো হচ্ছে। এই সমস্ত বিতর্কের প্রেক্ষাপটে তাঁর নাগপুরের ভাষণকে নিছক আত্মউপলব্ধি হিসেবে দেখতে নারাজ দিল্লির রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
একটি স্বাধীন ডিজিটাল সংবাদ মাধ্যম, যার লক্ষ্য শুধু সংবাদ পরিবেশন নয়— মানুষের কথা, মানুষের অধিকার এবং সমাজের বাস্তব চিত্রকে নির্ভীকভাবে তুলে ধরা।
Copyright 2026 NGTV News. All rights reserved
No Comments