Last updated: August 27th, 2026 at 05:45 pm

নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব ক্রিকেটের দুই উজ্জ্বল নক্ষত্র— সচিন তেন্ডুলকর ও বিরাট কোহলি। ভারতের এই দুই সর্বকালের সেরা ব্যাটারকে নিয়ে ভক্ত ও ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের মধ্যে তর্ক বহু পুরনো। সচিন ২০১৩ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেও, আজও তাঁর ব্যাটিং শৈলীকে মাপকাঠি ধরা হয়। অন্যদিকে বিরাট বর্তমানে কেবল একদিনের ক্রিকেট খেললেও বিশ্ব ক্রিকেটে তাঁর রাজত্ব বজায় রেখেছেন। এই দুই কিংবদন্তির মধ্যে কে সেরা, সেই বিতর্কে এবার মুখ খুললেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন অধিনায়ক তথা বিরাটের ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবি ডিভিলিয়ার্স।
আরসিবি-র হয়ে দীর্ঘদিন একসঙ্গে খেলার সুবাদে বিরাটের মানসিকতা যেমন কাছ থেকে দেখেছেন, তেমনই সচিনের খেলা দেখে বড় হওয়া ডিভিলিয়ার্স দুই তারকার তুলনামূলক বিশ্লেষণে চমৎকার এক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন। ডিভিলিয়ার্সের মতে, উপমহাদেশের ব্যাটারদের নিয়ে যে ধারণা বিশ্ব ক্রিকেটে ছিল, তা প্রথম বদলে দেন মাস্টার ব্লাস্টার সচিন তেন্ডুলকর। সচিনই প্রথম দেখিয়েছিলেন যে দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া বা ইংল্যান্ডের বাউন্সি ও পেস-সহায়ক উইকেটে বুক চিতিয়ে লড়াই করা সম্ভব। সচিন শিখিয়েছিলেন কীভাবে এশিয়ার বাইরে গিয়ে শুধু টিকতে নয়, রান করতে হয়।
তবে সেই পথ ধরে বিরাট কোহলি ভারতীয় ক্রিকেটকে সম্পূর্ণ অন্য এক উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছেন বলে মনে করেন প্রাক্তন প্রোটিয়া তারকা। ডিভিলিয়ার্সের কথায়, “সচিন ভারতীয়দের শিখিয়েছিলেন যে বিদেশের মাটিতে রান করা যায়, কিন্তু বিরাট শিখিয়েছে কীভাবে দল হিসেবে সেনা (SENAA) কান্ট্রিতে ম্যাচ ও সিরিজ জয় করতে হয় এবং আধিপত্য বিস্তার করতে হয়।” বিরাটের অনবদ্য ফিটনেস, আগ্রাসী মনোভাব ও নিখুঁত টেকনিক বিশ্ব ক্রিকেটে ভারতীয় দলকে এক ভয়ডরহীন শক্তিতে পরিণত করেছে।
এবিডি আরও জোর দেন বিরাটের ফিটনেস বিপ্লব এবং মানসিকতার ওপর। তিনি জানান, বিরাটের আগমন ভারতীয় দলের ড্রেসিংরুমের পরিবেশ ও ফিটনেসের সংজ্ঞা চিরতরে বদলে দিয়েছে। একজন অ্যাথলিট হিসেবে নিজেকে প্রস্তুত করার যে মানদণ্ড কোহলি স্থাপন করেছেন, তা পরবর্তী প্রজন্মের জুনিয়র ব্যাটারদের আত্মবিশ্বাসী ও আগ্রাসী করে তুলেছে। সচিন যদি পথপ্রদর্শক হন, তবে বিরাট সেই পথে ভারতীয় ক্রিকেটকে বিশ্ববিজয়ী হিসেবে গড়ে তুলেছেন— এমনটাই মত এবি ডিভিলিয়ার্সের।
একটি স্বাধীন ডিজিটাল সংবাদ মাধ্যম, যার লক্ষ্য শুধু সংবাদ পরিবেশন নয়— মানুষের কথা, মানুষের অধিকার এবং সমাজের বাস্তব চিত্রকে নির্ভীকভাবে তুলে ধরা।
Copyright 2026 NGTV News. All rights reserved
No Comments