Homeপূর্ব মেদিনীপুরনন্দীগ্রামনন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে ৩৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, নজরে স্পর্শকাতর বুথ

নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে ৩৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, নজরে স্পর্শকাতর বুথ

resizeplus_eisamay_2026-05-06_4c5nzzit_polba

নিউজ ডেস্ক: উপনির্বাচনের আগে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হচ্ছে নন্দীগ্রাম। আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন। তার আগে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে জোর দেওয়া হয়েছে নিরাপত্তায়। নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নন্দীগ্রামে মোতায়েন করা হচ্ছে ৩৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। পাশাপাশি কেন্দ্রের প্রতিটি বুথে নজরদারির জন্য ওয়েবকাস্টিংয়ের ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে।

নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে মোট বুথের সংখ্যা ২৮২। এই সমস্ত বুথেই ১০০ শতাংশ ওয়েবকাস্টিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। ফলে ভোটগ্রহণের সময় বুথের পরিস্থিতির উপর সরাসরি নজরদারি চালানো সম্ভব হবে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি রাজ্য পুলিশের কর্মীরাও দায়িত্বে থাকবেন।

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর—এই দুই বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের জন্য মোট ৭১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। তার মধ্যে নন্দীগ্রামের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ৩৭ কোম্পানি এবং রেজিনগরের জন্য ৩৪ কোম্পানি। একটি কেন্দ্রীয় বাহিনীর কোম্পানিতে সাধারণত প্রায় ১০০ জন জওয়ান ও আধিকারিক থাকেন, যদিও বাহিনী ও দায়িত্বের ধরন অনুযায়ী প্রকৃত সংখ্যা কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে।

নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি স্পর্শকাতর বুথগুলির দিকেও বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। আপনার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নন্দীগ্রামে ৭৯টি স্পর্শকাতর বুথ চিহ্নিত করা হয়েছে। সেই বুথগুলিতে অতিরিক্ত নজরদারি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হতে পারে। তবে নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত যে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে ২৮২টি বুথ এবং ১০০ শতাংশ ওয়েবকাস্টিংয়ের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে; ৭৯টি স্পর্শকাতর বুথের সংখ্যাটি নিয়ে পৃথক সরকারি বিজ্ঞপ্তি পাওয়া যায়নি।

উপনির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের আবহে নিরাপত্তার বিষয়টি স্বাভাবিক ভাবেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ভোটাররা যাতে কোনও ধরনের ভয় বা চাপ ছাড়াই নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করাই কমিশনের অন্যতম লক্ষ্য। কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েনের পাশাপাশি এলাকায় নজরদারি এবং প্রয়োজন অনুযায়ী টহলও বাড়ানো হবে।

৬ অক্টোবর ভোটগ্রহণের পর নন্দীগ্রাম-সহ দুই কেন্দ্রের ফল প্রকাশ হবে ৯ অক্টোবর। ফলে ভোটের আগে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের নজর এখন মূলত নিরাপত্তা ব্যবস্থা, বুথ পরিচালনা এবং শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণের দিকেই।

No Comments

একটি স্বাধীন ডিজিটাল সংবাদ মাধ্যম, যার লক্ষ্য শুধু সংবাদ পরিবেশন নয়— মানুষের কথা, মানুষের অধিকার এবং সমাজের বাস্তব চিত্রকে নির্ভীকভাবে তুলে ধরা।

Copyright 2026 NGTV News. All rights reserved