Homeজেলানন্দীগ্রাম-রেজিনগরে ৭১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, কাল সকাল ৭টায় শুরু ভোট

নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে ৭১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, কাল সকাল ৭টায় শুরু ভোট

resizeplus_NEW-VOTER-FORM-6

নিউজ ডেস্ক: নন্দীগ্রাম, পূর্ব মেদিনীপুর উপনির্বাচনের প্রস্তুতি শেষ। মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ভোটগ্রহণ নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে। দুই কেন্দ্রেই নিরাপত্তায় থাকছে বড়সড় আয়োজন। নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী মোট ৭১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এর মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে ৩৭ কোম্পানি এবং মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে ৩৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে।

ভোটগ্রহণ শুরু হবে সকাল ৭টায় এবং নির্ধারিত সময় পর্যন্ত চলবে। ফলে ভোর থেকেই দুই বিধানসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হবে। বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতির পাশাপাশি থাকবে রাজ্য পুলিশও। স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে বিশেষ নজর রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের তরফে দুই কেন্দ্রের ১০০ শতাংশ বুথে ওয়েবকাস্টিংয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। অর্থাৎ ভোটগ্রহণের পরিস্থিতি সরাসরি নজরদারির আওতায় থাকবে। নন্দীগ্রামে মোট ২৮২টি এবং রেজিনগরে ৩১৫টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে বলে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে।

উপনির্বাচনের আগে রবিবার সন্ধ্যায় প্রচারপর্ব শেষ হয়েছে। শেষ মুহূর্তে দুই কেন্দ্রেই নিজেদের প্রার্থীদের হয়ে জোরদার প্রচার চালিয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান এবং বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথকে ঘিরে লড়াইয়ের পাশাপাশি অন্যান্য প্রার্থীরাও প্রচারে ছিলেন। ভোটের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যাতে নিয়ন্ত্রণে থাকে, সে দিকে বিশেষ নজর দিয়েছে প্রশাসন।

রেজিনগরেও ভোটের আগে রাজনৈতিক উত্তাপ ছিল যথেষ্ট। এই কেন্দ্রটি মুর্শিদাবাদ জেলার অন্তর্গত হওয়ায় নিরাপত্তার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। ভোটাররা যাতে কোনও ধরনের ভয় বা চাপ ছাড়াই বুথে গিয়ে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেই বার্তাই দিয়েছে প্রশাসন।

দুই কেন্দ্রেই ভোটারদের পরিচয় যাচাইয়ের জন্য নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত নথি ব্যবহার করা হবে। ইভিএম ও ভিভিপ্যাটের মাধ্যমেই ভোটগ্রহণ হবে। ভোট শেষ হওয়ার পর সুরক্ষিত ব্যবস্থায় ইভিএম রাখা হবে এবং আগামী ৯ অক্টোবর ভোটগণনা হবে।

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের এই উপনির্বাচন রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। চলতি বছরের বিধানসভা নির্বাচনের পর দুই আসন খালি হওয়ায় উপনির্বাচনের প্রয়োজন হয়। নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদ ছেড়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী এবং রেজিনগরের বিধায়ক পদ ছেড়েছিলেন হুমায়ুন কবীর।

এখন নজর মঙ্গলবারের ভোটে। নিরাপত্তার কড়া বলয়, কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি এবং প্রতিটি বুথে ওয়েবকাস্টিংয়ের মধ্যেই নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেবেন নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের ভোটাররা। প্রশাসনের লক্ষ্য, কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে ভোটপর্ব সম্পন্ন করা।

No Comments

Copyright 2026 NGTV News. All rights reserved