Homeকলকাতাউৎসবের মরশুমে ফের চাঁদার জুলুমের অভিযোগ, ব্যবসায়ীকে থাপ্পড়

উৎসবের মরশুমে ফের চাঁদার জুলুমের অভিযোগ, ব্যবসায়ীকে থাপ্পড়

eisamay_2026-10-06_3yyxonjn_businessman

নিউজ ডেস্ক: উৎসবের মরশুমে ফের চাঁদার জুলুমের অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়াল। অভিযোগ, চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় এক ব্যবসায়ীকে প্রকাশ্যেই থাপ্পড় মারা হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। ব্যবসায়ীর অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

উৎসবের আগে পুজো কমিটি ও বিভিন্ন সংগঠনের তরফে চাঁদা সংগ্রহের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কিন্তু সেই চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে জোরজবরদস্তির অভিযোগ সামনে আসতেই নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। ব্যবসায়ীদের একাংশের দাবি, উৎসবের সময় চাঁদা দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে। কেউ নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা দিতে না চাইলে বিভিন্ন ভাবে হেনস্থা করার অভিযোগও উঠছে।

অভিযোগকারী ব্যবসায়ীর দাবি, কয়েক জন তাঁর দোকানে এসে উৎসবের চাঁদা দাবি করেন। তাঁদের চাওয়া টাকার পরিমাণ নিয়ে আপত্তি জানান তিনি। এরপরই বচসা শুরু হয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে তাঁকে থাপ্পড় মারা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার পর আশপাশের ব্যবসায়ী এবং স্থানীয়রা সেখানে জড়ো হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ব্যবসায়ীর কাছ থেকে পুরো ঘটনা সম্পর্কে তথ্য নেওয়া হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত এবং কী কারণে তাঁকে মারধর করা হল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

উল্লেখ্য, উৎসবের মরশুমে চাঁদার নামে জোরজবরদস্তি বন্ধ করতে পুলিশ প্রশাসনের তরফে একাধিক বার সতর্ক করা হয়েছে। কলকাতায় এর আগেও চাঁদা চাওয়াকে কেন্দ্র করে মারধরের অভিযোগ সামনে এসেছে। এমনকি চাঁদার টাকা দিতে দেরি হওয়ায় এক প্রৌঢ়কে মারধরের অভিযোগে পুলিশ গ্রেফতারও করেছিল কয়েক জনকে।

এ বার ফের এক ব্যবসায়ীকে থাপ্পড় মারার অভিযোগ সামনে আসায় বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা শুরু হয়েছে। ব্যবসায়ী মহলের দাবি, উৎসবের আনন্দের নামে কোনও ভাবেই যেন জোর করে টাকা আদায় বা ভয় দেখানোর ঘটনা না ঘটে। চাঁদা সংগ্রহের ক্ষেত্রে নিয়ম মেনে চলা এবং ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে।

পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, অভিযোগ খতিয়ে দেখে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উৎসবের মরশুমে যাতে কোনও রকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সে জন্য নজরদারিও বাড়ানো হচ্ছে।

No Comments