Last updated: September 24th, 2026 at 01:57 pm

নিউজ ডেস্ক; দিনের ব্যস্ততা কাটতেই বদলে যাচ্ছে কলকাতার রাস্তার ছবি। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় বাড়ছে ট্রাক ও পণ্যবাহী গাড়ির আনাগোনা। অভিযোগ, নির্দিষ্ট সময়ের আগেই কোথাও কোথাও ভারী যান চলাচল শুরু হয়ে যাচ্ছে। তার জেরে যানজট, সিগন্যাল অমান্য এবং ছোট গাড়ির চালকদের ভোগান্তির অভিযোগ উঠছে।
সাম্প্রতিক একটি প্রতিবেদনে শহরের সিঁথি, শ্যামবাজার, মহাত্মা গান্ধী রোড, খিদিরপুর, তারাতলা ও ডায়মন্ড হারবার রোড-সহ একাধিক এলাকার পরিস্থিতির কথা উঠে এসেছে। অভিযোগ, রাতের দিকে পণ্যবাহী গাড়ির চাপ বাড়লে ছোট গাড়ির দীর্ঘ লাইন তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে নাইট শিফট শেষে বাড়ি ফেরা মানুষদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারী পণ্যবাহী গাড়ির ক্ষেত্রে কলকাতায় নির্দিষ্ট সময় ও রুট মেনে চলাচলের বিধিনিষেধ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট নিয়মে কলকাতা পুলিশকে পরিবহণ দফতরের সঙ্গে পরামর্শ করে পণ্যবাহী যানবাহনের চলাচলের সময় ও রুট নির্ধারণের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
পুলিশের হিসাব অনুযায়ী, কলকাতায় প্রতিদিন প্রায় ৩ হাজার লরি-সহ পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল করে। শহরের বাণিজ্যিক প্রয়োজন মেটাতে এই বিপুল সংখ্যক গাড়িকে সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া সম্ভব নয়। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী ধাপে ধাপে যান নিয়ন্ত্রণ করাই কার্যকর পদ্ধতি বলে ট্র্যাফিক পুলিশের একাংশের বক্তব্য।
তবে অভিযোগ উঠেছে, রাত বাড়লে কয়েকটি এলাকায় নজরদারি তুলনামূলকভাবে কমে যায়। কোথাও সিগন্যাল না মেনে ভারী যান চলাচলের অভিযোগও রয়েছে। আবার রাস্তার খারাপ অবস্থার কারণে ট্রাক চলাচলের সময়ে যানজট আরও তীব্র হচ্ছে বলে দাবি স্থানীয়দের একাংশের।
লালবাজারের ট্র্যাফিক কর্তাদের বক্তব্য, শহরে যান নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কোথাও নিয়ন্ত্রণে গাফিলতির অভিযোগ থাকলে তা খতিয়ে দেখা হবে বলেও জানানো হয়েছে। কলকাতা পুলিশের ট্র্যাফিক বিভাগ শহরের যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে রয়েছে এবং ২৪ ঘণ্টা কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হয়।
পুজোর আগে শহরে যানবাহনের চাপ আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে রাতের ভারী যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে নজরদারি কতটা কার্যকর হয়, এখন সেদিকেই নজর কলকাতাবাসীর।
একটি স্বাধীন ডিজিটাল সংবাদ মাধ্যম, যার লক্ষ্য শুধু সংবাদ পরিবেশন নয়— মানুষের কথা, মানুষের অধিকার এবং সমাজের বাস্তব চিত্রকে নির্ভীকভাবে তুলে ধরা।
Copyright 2026 NGTV News. All rights reserved
No Comments