Last updated: August 27th, 2026 at 05:41 pm

নিউজ ডেস্ক: উৎসবের মরসুম শুরুর ঠিক মুখেই মধ্যবিত্তের হেঁশেলে বড় ধাক্কা। খুচরা বাজারে চিনির অগ্নিমূল্যের জেরে এবার সরাসরি টান পড়তে চলেছে সাধারণ মানুষের ক্রয়ে। এতদিন অনলাইন ডেলিভারি প্ল্যাটফর্ম কিংবা সুপারমার্কেট থেকে এক লপ্তে ১০-১২ কেজি বা তার বেশি চিনি কেনা গেলেও, সেই সুযোগ আর থাকছে না। ব্লিনকিট (Blinkit), স্যুইগি ইনস্টামার্ট (Instamart), জিপটো (Zepto)-র মতো কুইক-কমার্স সংস্থাগুলির পাশাপাশি ডি-মার্ট (DMart) ও রিল্যায়েন্সের (Reliance) মতো বড় রিটেইল চেইনগুলিও চিনি কেনার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সীমা (Cap) বা বিধিনিষেধ আরোপ করা শুরু করেছে।
পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট ও ফাটকাবাজি রুখতে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে ইতিমধ্যেই পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীদের জন্য চিনি মজুতের নির্দিষ্ট সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। তবে এবার তার প্রভাব সরাসরি পড়তে শুরু করেছে সাধারণ ক্রেতাদের ওপর। উৎসবের মরসুমে মিষ্টি ও ঘরোয়া নানান পদের জন্য চিনির চাহিদা যখন তুঙ্গে, ঠিক তখনই হঠাৎ কুইক-কমার্স অ্যাপগুলিতে চিনি কেনার এই নতুন সীমারেখা সাধারণ পরিবারগুলির চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বাজারের এই অগ্নিমূল্য ও চিনি কেনার ওপর কড়াকড়ি নিয়ে উদ্বেগ ছড়ালেও, কেন্দ্রীয় খাদ্য ও সরবরাহ মন্ত্রণালয়ের তরফে জানানো হয়েছে পরিস্থিতি নজরদারিতে রাখা হচ্ছে। সরকারের দাবি, দেশে চিনির পর্যাপ্ত উৎপাদন ও জোগান রয়েছে, তাই আতঙ্কিত হয়ে বেশি পরিমাণে চিনি কিনে রাখার (Panic Buying) কোনও প্রয়োজন নেই। কালোবাজারি ও অসাধু ব্যবসায়ীদের দাপট রুখতেই খুচরা বিক্রেতা ও ই-কমার্স সংস্থাগুলি এই নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, যাতে প্রতিটি পরিবার তাদের নিত্য প্রয়োজনীয় চিনি স্বাভাবিক দামে ও সহজে সংগ্রহ করতে পারে।
একটি স্বাধীন ডিজিটাল সংবাদ মাধ্যম, যার লক্ষ্য শুধু সংবাদ পরিবেশন নয়— মানুষের কথা, মানুষের অধিকার এবং সমাজের বাস্তব চিত্রকে নির্ভীকভাবে তুলে ধরা।
Copyright 2026 NGTV News. All rights reserved
No Comments