Homeকলকাতাপুজোর অনুদানে নবান্নের কড়া নজর! ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে নয়, টাকা যাবে পুজো কমিটির নিজস্ব ব্যাঙ্কে

পুজোর অনুদানে নবান্নের কড়া নজর! ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে নয়, টাকা যাবে পুজো কমিটির নিজস্ব ব্যাঙ্কে

নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজোর সরকারি অনুদান বণ্টনে এ বার আরও কড়া নিয়ম। সরকারি টাকা যাতে নির্দিষ্ট পুজো কমিটির অ্যাকাউন্টেই পৌঁছয় এবং খরচের হিসাবেও স্বচ্ছতা থাকে, সে জন্য একাধিক নির্দেশিকা জারি করা
resizeplus_Untitled Design (17)

নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজোর সরকারি অনুদান বণ্টনে এ বার আরও কড়া নিয়ম। সরকারি টাকা যাতে নির্দিষ্ট পুজো কমিটির অ্যাকাউন্টেই পৌঁছয় এবং খরচের হিসাবেও স্বচ্ছতা থাকে, সে জন্য একাধিক নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

চলতি বছর দুর্গাপুজোর কমিটিগুলিকে সরকারি অনুদান দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। সেই অনুদান পেতে হলে সংশ্লিষ্ট পুজো কমিটির নিজস্ব নামে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকা বাধ্যতামূলক। কোনও পদাধিকারী বা অন্য কোনও ব্যক্তির ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে অনুদানের টাকা পাঠানোর ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে না।

নির্দেশিকা অনুযায়ী, অনুদানের জন্য আবেদন করার সময় পুজো কমিটির সভাপতি অথবা সম্পাদককে কমিটির লেটারহেডে আবেদনপত্র তৈরি করে সংশ্লিষ্ট থানায় জমা দিতে হবে। তার সঙ্গে দিতে হবে কমিটির নিজস্ব ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের ক্যানসেলড চেক এবং পাসবুকের প্রথম পাতার প্রতিলিপি। এর ফলে আবেদনকারী কমিটি এবং যে অ্যাকাউন্টে সরকারি টাকা যাবে—দুই ক্ষেত্রেই পরিচয় যাচাই করা সম্ভব হবে।

শুধু ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকলেই হবে না। গত বছরের পুজোর অনুমতিপত্র, আগের বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব এবং চলতি বছরের পুজো কমিটির সদস্যদের তালিকাও জমা দিতে বলা হয়েছে। সদস্যদের তালিকায় নামের পাশাপাশি ঠিকানা ও ফোন নম্বর দেওয়ার কথাও উল্লেখ রয়েছে।

এর পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ নথি হিসেবে চাওয়া হয়েছে গত বছরের সরকারি অনুদানের ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট জমা দেওয়ার স্বীকৃতিপত্র। অর্থাৎ আগের বছর পাওয়া সরকারি অর্থ কী ভাবে ব্যবহার করা হয়েছিল, তার হিসাবও এ বার অনুদানের প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে।

প্রশাসনের এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য সরকারি অনুদান বণ্টন ও ব্যবহারে স্বচ্ছতা বাড়ানো। তবে কোথাও সরকারি অনুদানের টাকা ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে ঢুকে ‘পকেটে গিয়েছে’—এমন কোনও নির্দিষ্ট অভিযোগ বা প্রমাণকে এই নির্দেশিকার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করা ঠিক হবে না। বরং নতুন নিয়মে ভবিষ্যতে এমন আর্থিক গরমিলের সম্ভাবনা কমানোর দিকেই জোর দেওয়া হচ্ছে।

অর্থাৎ, পুজোর অনুদান পেতে গেলে এ বার থেকে কমিটির নিজস্ব ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, প্রয়োজনীয় নথি এবং আগের অনুদানের হিসাব—সবই গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি টাকার লেনদেনে কতটা স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যায়, এখন নজর থাকবে সেই দিকেই।

No Comments

Copyright 2026 NGTV News. All rights reserved