Homeপূর্ব মেদিনীপুরনন্দীগ্রামTET না পেরিয়েই চাকরির অভিযোগ! ২৬৯ জনের তালিকায় নাম, সঞ্চিতাকে ঘিরে নয়া বিতর্ক

TET না পেরিয়েই চাকরির অভিযোগ! ২৬৯ জনের তালিকায় নাম, সঞ্চিতাকে ঘিরে নয়া বিতর্ক

নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে ফের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে চর্চা। নন্দীগ্রাম-কালীঘাটের তৃণমূল প্রার্থী সঞ্চিতা [নাম/পদবির তথ্য অনুযায়ী]কে ঘিরে উঠেছে নতুন অভিযোগ। দাবি করা হচ্ছে, TET উত্তীর্ণ না হয়েই তিনি
1056596-whatsapp-image-2026-09-14-at-195826

নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে ফের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে চর্চা। নন্দীগ্রাম-কালীঘাটের তৃণমূল প্রার্থী সঞ্চিতা [নাম/পদবির তথ্য অনুযায়ী]কে ঘিরে উঠেছে নতুন অভিযোগ। দাবি করা হচ্ছে, TET উত্তীর্ণ না হয়েই তিনি চাকরি পেয়েছিলেন এবং ২৬৯ জনের একটি তালিকায় তাঁর নাম রয়েছে। বিষয়টি সামনে আসার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে চাপানউতোর।

অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে রাজ্যের শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত সেই বিতর্কিত তালিকা, যেখানে ২৬৯ জনের নাম প্রকাশ্যে এসেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, তালিকায় থাকা কয়েকজন প্রার্থীর নিয়োগের যোগ্যতা এবং TET উত্তীর্ণ হওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই তালিকায় সঞ্চিতার নাম থাকার বিষয়টিকেই এখন রাজনৈতিকভাবে সামনে আনছে বিরোধীরা।

তবে কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে দেখার আগে সরকারি নথি, নিয়োগ সংক্রান্ত তথ্য এবং তদন্তের ফলাফল খতিয়ে দেখা জরুরি। সঞ্চিতার ক্ষেত্রে TET পরীক্ষায় তাঁর যোগ্যতা, নিয়োগের সময়কার নথিপত্র এবং সংশ্লিষ্ট নিয়োগ প্রক্রিয়ার বৈধতা—এই বিষয়গুলিই এখন মূল প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ঘটনাটি আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে কারণ সঞ্চিতা বর্তমানে নন্দীগ্রাম-কালীঘাটের তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে রাজনৈতিক ময়দানে রয়েছেন। ফলে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী প্রচারেও প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

বিরোধী শিবিরের বক্তব্য, শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে যে প্রশ্ন উঠেছে, এই ঘটনাও তারই একটি নতুন উদাহরণ। তাঁদের দাবি, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কারা নিয়ম মেনেছেন এবং কারা নিয়মের বাইরে গিয়ে সুবিধা পেয়েছেন, তা স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।

অন্যদিকে, তৃণমূল শিবিরের পাল্টা অবস্থানও এই বিতর্কে গুরুত্বপূর্ণ। দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা কতটা, সংশ্লিষ্ট নথিতে কী রয়েছে এবং অভিযোগের ভিত্তি কী—তা নিয়েই এখন রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

নিয়োগ সংক্রান্ত বিতর্কের পাশাপাশি সামনে আসছে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—২৬৯ জনের তালিকায় নাম থাকা মানেই কি অনিয়ম প্রমাণিত? আইনগতভাবে তার উত্তর নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট নথি, তদন্ত এবং আদালতের সিদ্ধান্তের উপর।

ফলে সঞ্চিতাকে ঘিরে তৈরি হওয়া এই বিতর্কে এখন নজর রয়েছে প্রামাণ্য নথি ও পরবর্তী তদন্তের দিকে। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয় কি না, নাকি নথিপত্র যাচাইয়ের পর অন্য ছবি সামনে আসে—তা সময়ই বলবে।

No Comments