Homeজেলাবৃহস্পতিবারের মধ্যেই দোকান সরানোর নির্দেশ, চুঁচুড়ায় উচ্ছেদের নোটিসে উদ্বেগ

বৃহস্পতিবারের মধ্যেই দোকান সরানোর নির্দেশ, চুঁচুড়ায় উচ্ছেদের নোটিসে উদ্বেগ

নিউজ ডেস্ক; দুর্গাপুজোর আগে ফের উচ্ছেদের আতঙ্ক হুগলির চুঁচুড়ায়। ঘড়ি মোড়, কোর্ট চত্বর, মাঠের ধার এবং জেলাশাসকের দফতর সংলগ্ন এলাকায় থাকা অস্থায়ী ও বেআইনি দোকান সরানোর নির্দেশ দিয়েছে পূর্ত দফতর।
resizeplus_eisamay_2026-09-16_6m02rsrp_Chinsurah (1)

নিউজ ডেস্ক; দুর্গাপুজোর আগে ফের উচ্ছেদের আতঙ্ক হুগলির চুঁচুড়ায়। ঘড়ি মোড়, কোর্ট চত্বর, মাঠের ধার এবং জেলাশাসকের দফতর সংলগ্ন এলাকায় থাকা অস্থায়ী ও বেআইনি দোকান সরানোর নির্দেশ দিয়েছে পূর্ত দফতর। বুধবার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে এলাকায় গিয়ে দোকানদারদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জায়গা খালি করার কথা জানিয়ে দেন দফতরের আধিকারিকরা। বৃহস্পতিবারের মধ্যেই দোকানপাট এবং ছাউনির কাঠামো সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চুঁচুড়া থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে পূর্ত দফতরের কর্মীরা বিভিন্ন দোকানে পৌঁছন। দোকানদারদের সঙ্গে কথা বলে তাঁরা জানান, সরকারি জায়গা খালি করতে হবে। শুধু দোকানের মালপত্র নয়, অস্থায়ী ছাউনিগুলিও সরিয়ে ফেলতে বলা হয়েছে। নির্দেশ না মানলে পরবর্তী পদক্ষেপ করা হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।

তবে আচমকা এই নির্দেশ ঘিরে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে দোকানদারদের একাংশের মধ্যে। তাঁদের দাবি, আগে থেকে কোনও লিখিত নোটিস বা পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হয়নি। বুধবার হঠাৎ পুলিশ এবং পূর্ত দফতরের আধিকারিকরা এসে দোকান সরিয়ে নেওয়ার কথা জানান। ফলে একদিনের মধ্যে বহু বছরের ব্যবসার সামগ্রী কী ভাবে সরানো সম্ভব, তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা।

দোকানদারদের বক্তব্য, তাঁদের অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় ব্যবসা করছেন। কারও দোকান কয়েক দশক ধরে চলছে বলেও দাবি উঠেছে। পুজোর মরসুম সামনে থাকায় এই সময়ে দোকান সরানোর নির্দেশ তাঁদের উপার্জনে সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা। কয়েকজন দোকানদার জানিয়েছেন, দোকানের উপর নির্ভর করেই তাঁদের পরিবারের দৈনন্দিন খরচ চলে। তাই হঠাৎ করে জায়গা খালি করতে বলা হলে নতুন করে ব্যবসার ব্যবস্থা করা তাঁদের পক্ষে কঠিন।

এক দোকানদারের দাবি, বহু বছর ধরে ওই এলাকায় দোকান চালানোর পর আচমকা জায়গা ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ এসেছে। আর এক দোকানদার জানান, সরকারি জায়গা খালি করার নির্দেশ মেনে তাঁরা সরে যেতে প্রস্তুত হলেও, তাঁদের জীবিকার বিকল্প ব্যবস্থা কী হবে, তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।

পূর্ত দফতরের তরফে মূলত সরকারি জায়গা দখলমুক্ত করার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ বলে জানা গিয়েছে। ঘড়ি মোড় থেকে কোর্ট চত্বর এবং জেলাশাসকের দফতরের আশপাশের এলাকায় রাস্তা ও সরকারি পরিসর পরিষ্কার রাখার বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ঘটনাকে কেন্দ্র করে এখন প্রশ্ন উঠছে, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেই কি সমস্ত দোকান সরবে, নাকি দোকানদারদের সঙ্গে প্রশাসনের আরও আলোচনা হবে। বৃহস্পতিবারের মধ্যে পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, সে দিকেই নজর স্থানীয়দের।

No Comments