
নিউজ ডেস্ক:পুজোর আগে সাধারণ মানুষের রান্নাঘরে কিছুটা স্বস্তি আসতে পারে। ভোজ্য তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমদানি শুল্ক সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। অপরিশোধিত পাম তেল, সয়াবিন তেল এবং সূর্যমুখী তেলের আমদানির ক্ষেত্রে শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় রাজস্ব দফতর ও শুল্ক কর্তৃপক্ষের তরফে এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্য তেলের দামের ওঠানামার প্রভাব ভারতীয় বাজারেও পড়ে। বিশেষ করে পুজোর আগে চাহিদা বাড়ার সময় রান্নার তেলের দাম নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল।
সরকারের এই শুল্ক হ্রাসের ফলে আমদানিকারকদের জন্য অপরিশোধিত ভোজ্য তেল দেশে আনার খরচ কমতে পারে। বাজারে সরবরাহ বাড়লে পাইকারি স্তরে দামের ওপর তার প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে খুচরো বাজারেও বিভিন্ন ধরনের রান্নার তেলের দাম কিছুটা কমতে পারে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।
তবে শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্তের পরই যে দোকানে দোকানে তেলের দাম একই হারে কমে যাবে, এমনটা নিশ্চিত নয়। আমদানি খরচ, আন্তর্জাতিক বাজারের দাম, পরিবহণ ব্যয়, মজুত এবং খুচরো বিক্রেতার দামের মতো একাধিক বিষয়ের ওপর চূড়ান্ত দাম নির্ভর করে। তাই সাধারণ মানুষের কাছে এর প্রকৃত সুফল পৌঁছতে কতটা সময় লাগবে, এখন সেটাই দেখার।
পুজোর মরশুমে রান্নার তেলের চাহিদা সাধারণত বাড়ে। ফলে দাম কমলে উৎসবের বাজারে মধ্যবিত্ত পরিবারের মাসিক খরচে কিছুটা চাপ কমতে পারে। একই সঙ্গে খাদ্যপণ্যের সামগ্রিক দামের ওপরও এর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে ব্যবসায়ী মহল ও সাধারণ ক্রেতাদের নজর থাকবে খুচরো বাজারে। আমদানি শুল্ক কমার সুবিধা ব্যবসায়ীরা কতটা দ্রুত ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে দেন, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।
অর্থাৎ, কেন্দ্রের ঘোষণার পর রান্নার তেলের দামে স্বস্তির সম্ভাবনা তৈরি হলেও বাস্তবে বাজারদর কতটা কমে, তার জন্য আগামী কয়েক দিনের বাজার পরিস্থিতির দিকে নজর রাখতে হবে।
একটি স্বাধীন ডিজিটাল সংবাদ মাধ্যম, যার লক্ষ্য শুধু সংবাদ পরিবেশন নয়— মানুষের কথা, মানুষের অধিকার এবং সমাজের বাস্তব চিত্রকে নির্ভীকভাবে তুলে ধরা।
Copyright 2026 NGTV News. All rights reserved
No Comments