Homeজেলাজোড়াফুল প্রতীক মমতারই’, নন্দীগ্রামে ঋতপন্থী প্রার্থীর মনোনয়নে গিয়ে কী বললেন মদন মিত্র?

জোড়াফুল প্রতীক মমতারই’, নন্দীগ্রামে ঋতপন্থী প্রার্থীর মনোনয়নে গিয়ে কী বললেন মদন মিত্র?

নিউজ ডেস্ক ; তৃণমূলের দলীয় প্রতীক ‘জোড়াফুল’ নিয়ে দুই শিবিরের টানাপড়েনের মধ্যেই নন্দীগ্রামে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-ঘনিষ্ঠ শিবিরের প্রার্থীর মনোনয়ন ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। বুধবার মহম্মদ এহতেশামুল হকের মনোনয়ন জমা
resizeplus_eisamay_2026-07-15_2t39cj2s_madan-mitra-ritabrata-banerjee

নিউজ ডেস্ক ; তৃণমূলের দলীয় প্রতীক ‘জোড়াফুল’ নিয়ে দুই শিবিরের টানাপড়েনের মধ্যেই নন্দীগ্রামে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-ঘনিষ্ঠ শিবিরের প্রার্থীর মনোনয়ন ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। বুধবার মহম্মদ এহতেশামুল হকের মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন ঋতপন্থী তৃণমূলের বিধায়ক মদন মিত্র। সেখানেই ‘জোড়াফুল’ প্রতীক নিয়ে তাঁর মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মদন মিত্রের বক্তব্য, “জোড়াফুল প্রতীক মমতার।” তবে একইসঙ্গে তাঁর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দু’জনেই প্রতীকের দাবিদার হওয়ার পর থেকেই দলের মধ্যে বিভাজন তৈরি হয়েছে। তাঁর এই মন্তব্য এমন সময়ে সামনে এল, যখন নির্বাচন কমিশনের কাছে তৃণমূলের দুই পক্ষই দল ও প্রতীকের উপর নিজেদের দাবি জানিয়ে নথি জমা দিয়েছে।

নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের জন্য দুই পক্ষই ইতিমধ্যে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-ঘনিষ্ঠ কালীঘাট শিবিরের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। অন্যদিকে ঋতব্রত শিবিরের তরফে মহম্মদ এহতেশামুল হককে প্রার্থী করা হয়েছে। ফলে প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের আগে একই রাজনৈতিক দলের দুই শিবিরের আলাদা প্রার্থীকে ঘিরে জটিলতা তৈরি হয়েছে।

প্রতীক-বিতর্ক ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনের দরজায় পৌঁছেছে। দুই পক্ষের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কমিশনের বৈঠকও হয়েছে। তবে এখনও চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি। দুই শিবিরের কাছ থেকেই প্রয়োজনীয় নথি চাওয়া হয়েছে। কমিশনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই এখন নজর রয়েছে।

এর মধ্যেই মদন মিত্র দাবি করেছেন, বৃহস্পতিবারের মধ্যেই প্রতীক ও দলের স্বত্ব নিয়ে কমিশন কোনও সিদ্ধান্ত জানাতে পারে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, তাঁদের শিবির কমিশনের সিদ্ধান্ত নিজেদের পক্ষে যাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী। একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, তাঁদের শিবির মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মুখ্য উপদেষ্টা হিসেবে রাখতে চেয়েছিল, কিন্তু সেই প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়নি।

অন্যদিকে, কালীঘাট শিবিরের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে জানিয়েছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বাক্ষরিত সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীকে তাঁকে মনোনয়ন জমা দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী সময়ে দল যে নির্দেশ দেবে, সেই অনুযায়ী নির্বাচনী কার্যক্রম চালানো হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

ফলে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের আগে এখন মূল প্রশ্ন শুধু প্রার্থী নয়, ‘জোড়াফুল’ প্রতীক শেষ পর্যন্ত কোন শিবিরের হাতে থাকবে। কমিশনের সিদ্ধান্তের পরেই সেই জটিলতার ছবি স্পষ্ট হবে।

No Comments