Homeহুগলিতারকেশ্বরচানাচুর কারখানা খুলতেই ফিরল কাজ, মালিকের বিরুদ্ধে মামলা চলবে—স্পষ্ট করল খাদ্য সুরক্ষা দফতর

চানাচুর কারখানা খুলতেই ফিরল কাজ, মালিকের বিরুদ্ধে মামলা চলবে—স্পষ্ট করল খাদ্য সুরক্ষা দফতর

নিউজ ডেস্ক ; পুজোর আগে ফের উৎপাদন শুরু হওয়ায় স্বস্তি ফিরল হুগলির তারকেশ্বরের মুক্তারপুর এলাকার একটি চানাচুর কারখানায়। খাদ্য সুরক্ষা দফতরের অভিযানের পর লাইসেন্স স্থগিত করে কারখানার উৎপাদন বন্ধ রাখা
resizeplus_Screenshot 2026-09-16 114505_edited

নিউজ ডেস্ক ; পুজোর আগে ফের উৎপাদন শুরু হওয়ায় স্বস্তি ফিরল হুগলির তারকেশ্বরের মুক্তারপুর এলাকার একটি চানাচুর কারখানায়। খাদ্য সুরক্ষা দফতরের অভিযানের পর লাইসেন্স স্থগিত করে কারখানার উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছিল। এর জেরে কর্মহীন হয়ে পড়েছিলেন শতাধিক শ্রমিক। প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়ার পর মঙ্গলবার থেকে ফের কারখানায় উৎপাদন শুরু হয়েছে। তবে কারখানা খুললেও কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া আইনি প্রক্রিয়া বন্ধ হচ্ছে না বলে জানিয়েছে খাদ্য সুরক্ষা দফতর।

ঘটনার সূত্রপাত কয়েক দিন আগে। তারকেশ্বরের মুক্তারপুরে ওই চানাচুর কারখানায় পরিদর্শনে গিয়েছিলেন খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিকেরা। অভিযোগ, পরিদর্শনের সময় তাঁদের কাজে বাধা দেওয়া হয়। কারখানার প্রয়োজনীয় লাইসেন্স, জলের পরীক্ষার রিপোর্ট-সহ একাধিক নথি দেখাতে না পারায় উৎপাদন বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি কারখানার ম্যানেজিং ডিরেক্টর বংশীবদন দোলুইয়ের বিরুদ্ধে তারকেশ্বর থানায় FIR-ও দায়ের হয়।

কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সমস্যায় পড়েন সেখানে কর্মরত শ্রমিকেরা। কর্তৃপক্ষের দাবি অনুযায়ী, প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ জন শ্রমিক এই কারখানায় কাজ করেন। পুজোর মরসুমের ঠিক আগে কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাঁদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। ফের উৎপাদন শুরু হওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই খুশি শ্রমিকদের একাংশ।

এ বার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর কারখানা চালুর অনুমতি দেওয়া হয়েছে। খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিক বিশ্বজিৎ মান্না জানিয়েছেন, লাইসেন্স এবং জলের রিপোর্ট-সহ প্রয়োজনীয় নথি কর্তৃপক্ষ জমা দিয়েছেন। সেই নথি যাচাইয়ের পর উৎপাদন শুরুর অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে বিষয়টি এখানেই শেষ নয়।

কারখানা থেকে চানাচুরের তিনটি নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে। সেই পরীক্ষার রিপোর্টে কোনও ত্রুটি বা খাদ্য সুরক্ষা বিধি লঙ্ঘনের প্রমাণ মিললে ফের আইনি পদক্ষেপ করা হতে পারে বলে দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে আগামী দিনে ফের কারখানায় পরিদর্শন করা হবে বলেও জানিয়েছেন আধিকারিকেরা।

অর্থাৎ, উৎপাদন চালু হলেও কারখানার বিরুদ্ধে চলা আইনি প্রক্রিয়ায় আপাতত কোনও ছাড় দেওয়া হয়নি। এখন নজর রয়েছে পরীক্ষাগারের রিপোর্ট এবং পরবর্তী সরকারি পরিদর্শনের দিকে।

No Comments