
নিউজ ডেস্ক: পুজোর আগে সরকারি কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের জন্য বড় স্বস্তির খবর। সম্ভাব্য ব্যাংক ধর্মঘট ও টানা ছুটির কারণে মাসের শেষে বেতন-পেনশন আটকে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। সেই পরিস্থিতি এড়াতে আগেভাগেই বেতন ও পেনশনের বিল নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যের অর্থ দফতর।
বৃহস্পতিবার রাজ্যের বিভিন্ন ট্রেজারি অফিস এবং পে অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস অফিসে এই সংক্রান্ত নির্দেশ পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। নির্দেশ অনুযায়ী, ২৫ সেপ্টেম্বর, শুক্রবারের মধ্যেই সমস্ত সংশ্লিষ্ট পে-বিল অনুমোদন করে অর্থ পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার কথা।
মাসের শেষ সপ্তাহে ব্যাংক কর্মীদের ধর্মঘটের ডাক এবং তার সঙ্গে একাধিক ছুটি থাকায় সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীদের অ্যাকাউন্টে নির্ধারিত সময়ে টাকা পৌঁছনো নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। দুর্গাপুজোর ঠিক আগে এই পরিস্থিতি তৈরি হলে বহু পরিবারের মাসিক খরচ এবং উৎসবের প্রস্তুতিতে চাপ পড়তে পারত।
এই আশঙ্কা মাথায় রেখেই আগেভাগে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ট্রেজারি স্তরে বিল অনুমোদনের কাজ দ্রুত শেষ করে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানোর ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।
এই সিদ্ধান্তে সরকারি কর্মচারী, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং অবসরপ্রাপ্ত পেনশনভোগীদের মধ্যে স্বস্তি তৈরি হয়েছে। কারণ পুজোর আগে বেতন বা পেনশন হাতে এলে উৎসবের কেনাকাটা থেকে শুরু করে পরিবারের অন্যান্য প্রয়োজনীয় খরচ মেটানো সহজ হবে।
এর পাশাপাশি, পুজোর আগে বিপুল সংখ্যক মানুষের হাতে বেতন ও পেনশনের টাকা পৌঁছলে বাজারেও তার প্রভাব পড়তে পারে। পোশাক, খাদ্যদ্রব্য, পরিবহণ এবং অন্যান্য খাতে খরচ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে বেতন-পেনশন আগাম দেওয়ার সিদ্ধান্তের পাশাপাশি সরকারি কর্মীদের অন্যান্য আর্থিক দাবিও আলোচনায় রয়েছে। সরকারের এই পদক্ষেপকে প্রশাসনিক তৎপরতা হিসেবে দেখা হলেও, কর্মচারীদের বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি দাবি নিয়ে বিতর্ক আলাদা বিষয়।
এখন নজর ২৫ সেপ্টেম্বরের দিকে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিলের কাজ শেষ হলে সম্ভাব্য ব্যাংক পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার আগেই বহু সরকারি কর্মচারী এবং পেনশনভোগীর অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছতে পারে।
একটি স্বাধীন ডিজিটাল সংবাদ মাধ্যম, যার লক্ষ্য শুধু সংবাদ পরিবেশন নয়— মানুষের কথা, মানুষের অধিকার এবং সমাজের বাস্তব চিত্রকে নির্ভীকভাবে তুলে ধরা।
Copyright 2026 NGTV News. All rights reserved
No Comments