Homeরাজ্যসময়ের আগেই প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ’, সেন্সাসের সাফল্য তুলে ধরে পোস্ট শুভেন্দুর

সময়ের আগেই প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ’, সেন্সাসের সাফল্য তুলে ধরে পোস্ট শুভেন্দুর

নিউজ ডেস্ক ; রাজ্যে সেন্সাস ২০২৭-এর প্রথম পর্যায়ের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে প্রথম দফার হাউস-লিস্টিং এবং হাউজিং সেন্সাসের অগ্রগতির
resizeplus_eisamay_2026-09-16_fe4cy9jj_Suvendu-8

নিউজ ডেস্ক ; রাজ্যে সেন্সাস ২০২৭-এর প্রথম পর্যায়ের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে প্রথম দফার হাউস-লিস্টিং এবং হাউজিং সেন্সাসের অগ্রগতির পরিসংখ্যান তুলে ধরেছেন তিনি। তাঁর পোস্ট অনুযায়ী, রাজ্যে প্রথম পর্যায়ের কাজ নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ হয়েছে।

প্রশাসনিক সূত্রে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে মোট ১ লক্ষ ৭৩ হাজার ৬৬টি হাউস লিস্টিং ব্লক রয়েছে। জেলা, মহকুমা, ব্লক, পুরনিগম এবং পুরসভা—সব স্তরেই প্রথম পর্যায়ের তথ্য সংগ্রহের কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। রাজ্যে আনুমানিক ৩ কোটি ৬৯ লক্ষ বাড়ি রয়েছে। এর মধ্যে ৩ কোটি ৬৮ লক্ষ ৩০ হাজার ১৫০টি বাড়ির তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে বলে পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৯৯.৭ শতাংশ বাড়ির তথ্য নথিভুক্ত হয়েছে।

এই কাজের জন্য বিপুল সংখ্যক গণনাকারী এবং সুপারভাইজারকে মাঠে নামানো হয়েছিল। প্রায় ১ লক্ষ ২৫ হাজার এনুমারেটর এই পর্বে কাজ করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে আবাসনের অবস্থা, পরিবারের সুযোগ-সুবিধা, বিভিন্ন পরিকাঠামো এবং অন্যান্য নির্ধারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

এ বারের জনগণনায় প্রযুক্তির ব্যবহারও বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, সেন্সাস ২০২৭ প্রথম বার সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত হচ্ছে। এনুমারেটরদের জন্য মোবাইল অ্যাপ এবং কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের জন্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা হচ্ছে। পাশাপাশি নাগরিকদের জন্য চালু করা হয়েছে ‘সেল্ফ এনুমারেশন’-এর সুবিধাও।

পশ্চিমবঙ্গে প্রথম পর্যায়ের হাউস-লিস্টিংয়ের জন্য ১৬ অগস্ট থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা নির্ধারিত ছিল। এই পর্বে মূলত বাড়ি এবং আবাসন সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। পরবর্তী পর্যায়ে শুরু হবে জনসংখ্যা গণনা। সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী, সেই পর্যায়ে ব্যক্তির বয়স, লিঙ্গ, শিক্ষা, ভাষা, আর্থ-সামাজিক অবস্থা, অভিবাসন-সহ বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করা হবে।

প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ হলেও কোনও বাড়ি বাদ পড়ে থাকলে পরবর্তী পর্যায়ে সেগুলিকেও অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে প্রশাসনিক কর্তাদের বক্তব্য। ফলে প্রথম ধাপে এনুমারেটর বাড়িতে না পৌঁছনো নিয়ে উদ্বেগের কারণ নেই বলেও জানানো হয়েছে।

No Comments