Homeকলকাতাপ্রকৃত’ দোষী প্রশ্নে ফের সরব আরজি কর, তদন্ত নিয়ে নতুন করে উঠছে প্রশ্ন

প্রকৃত’ দোষী প্রশ্নে ফের সরব আরজি কর, তদন্ত নিয়ে নতুন করে উঠছে প্রশ্ন

নিউজ ডেস্ক ; আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় ‘প্রকৃত দোষী’ কারা—এই প্রশ্ন ফের সামনে এসেছে। ঘটনার পর থেকে নিহত চিকিৎসকের পরিবার অভিযোগ করে
resizeplus_eisamay_2026-08-13_jwr0ixlk_RG-Kar-Hospital

নিউজ ডেস্ক ; আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় ‘প্রকৃত দোষী’ কারা—এই প্রশ্ন ফের সামনে এসেছে। ঘটনার পর থেকে নিহত চিকিৎসকের পরিবার অভিযোগ করে আসছে, মামলায় কেবল এক জনকে দায়ী করে তদন্ত শেষ করা যথেষ্ট নয়। তাঁদের দাবি, ঘটনার নেপথ্যে আরও কেউ জড়িত ছিলেন কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

২০২৪ সালের ৯ অগস্ট আরজি কর হাসপাতালের সেমিনার হল থেকে তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়। প্রথমে কলকাতা পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও পরে মামলার তদন্তভার নেয় সিবিআই। তদন্তের পর সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়ের বিরুদ্ধে মামলা হয়। পরবর্তী সময়ে শিয়ালদহ আদালত তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দেয়।

তবে আদালতের রায়ের পরেও নিহত চিকিৎসকের পরিবার তদন্ত নিয়ে সন্তুষ্ট নয় বলে বিভিন্ন সময়ে জানিয়েছে। তাঁদের বক্তব্য, ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ যুক্ত ছিলেন কি না, সেই বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে পরিষ্কার হয়নি। পরিবারের তরফে তদন্তে একাধিক ব্যক্তির সম্ভাব্য ভূমিকা এবং ফরেন্সিক তথ্য নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে মামলার তদন্ত নিয়ে আদালতের পর্যবেক্ষণও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সাম্প্রতিক সময়ে সিবিআইকে মামলার বিভিন্ন দিক নতুন করে খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। বিশেষ করে চিকিৎসকের মৃত্যুর আগের রাত থেকে পরদিন দেহ সৎকার পর্যন্ত সময়ের ঘটনাপ্রবাহ পুনরায় পরীক্ষা করার বিষয়টি সামনে এসেছে।

এদিকে তদন্তের অংশ হিসেবে হাসপাতালের একাধিক কর্মী ও আধিকারিককে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই। তাঁদের মধ্যে ঘটনার রাতে ডিউটিতে থাকা কয়েক জন নার্সও ছিলেন। তদন্তকারীদের প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ফের জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলেও জানা গিয়েছে।

ফলে, মামলায় ইতিমধ্যে একজনের সাজা হলেও তদন্তের আরও কিছু প্রশ্ন এখনও আলোচনায় রয়েছে। পরিবারের বক্তব্য এবং তদন্তকারী সংস্থার পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই এখন নজর রয়েছে।

No Comments