Last updated: September 16th, 2026 at 02:06 pm

নিউজ ডেস্ক : উপনির্বাচনের আগে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় প্রতীক নিয়ে জটিলতা আরও বাড়ল। ‘জোড়াফুল’ প্রতীকের দাবি নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন দুই শিবিরের মধ্যে বিরোধের নিষ্পত্তি এখনও করেনি নির্বাচন কমিশন। ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন হওয়ার কথা। ১৬ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন জমার শেষ দিন।
দুই পক্ষই নিজেদের তৃণমূল কংগ্রেসের বৈধ প্রতিনিধি হিসেবে দাবি করে নির্বাচন কমিশনের কাছে নথি ও সাংগঠনিক সমর্থনের তথ্য জমা দিয়েছে। কমিশন ইতিমধ্যেই দুই শিবিরের বক্তব্য শুনেছে। প্রতীক, দলের নাম এবং সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে জমা পড়া নথি খতিয়ে দেখার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা।
এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, কমিশনের সিদ্ধান্ত না এলে উপনির্বাচনে প্রার্থীরা কোন প্রতীকে লড়বেন? অতীতে দলীয় প্রতীক নিয়ে বিরোধের ক্ষেত্রে কমিশন অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্কিত প্রতীক সাময়িক ভাবে ‘ফ্রিজ’ করে অন্য প্রতীক বরাদ্দ করেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতেও তেমন কোনও ব্যবস্থা হবে কি না, তা নিয়ে জল্পনা রয়েছে। তবে এখনও এ বিষয়ে কমিশনের কোনও চূড়ান্ত নির্দেশ প্রকাশ্যে আসেনি।
প্রাক্তন আমলা ও প্রাক্তন সাংসদ জহর সরকারও প্রতীক-জট নিয়ে মন্তব্য করেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, কমিশনের সিদ্ধান্তের আগে প্রতীক নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হলে উপনির্বাচনে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের বিকল্প প্রতীকে লড়ার পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। তাঁর মন্তব্য ঘিরেও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।
অন্য দিকে, ঋতব্রত শিবিরের দাবি, কমিশনের যাবতীয় প্রশ্নের উত্তর এবং প্রয়োজনীয় নথি তারা জমা দিয়েছে। ঋতব্রত জানিয়েছেন, কমিশনের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে।
এদিকে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর—দুই আসনেই দুই শিবির প্রার্থী দিয়েছে। ফলে প্রতীক নিয়ে কমিশনের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে রয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রার্থী, কর্মী-সমর্থক এবং রাজনৈতিক মহল। কমিশনের পরবর্তী পদক্ষেপেই স্পষ্ট হবে, উপনির্বাচনের ব্যালটে তৃণমূলের পরিচিত প্রতীক থাকবে কি না।
একটি স্বাধীন ডিজিটাল সংবাদ মাধ্যম, যার লক্ষ্য শুধু সংবাদ পরিবেশন নয়— মানুষের কথা, মানুষের অধিকার এবং সমাজের বাস্তব চিত্রকে নির্ভীকভাবে তুলে ধরা।
Copyright 2026 NGTV News. All rights reserved
No Comments