Homeরাজ্যএডিআরএম-এর পরিদর্শনে একগুচ্ছ দাবি: নতুন ট্রেন, স্টেশন সংযুক্তিকরণ ও রেলওয়ে ফ্যাক্টরির দাবিতে সরব স্থানীয়রা

এডিআরএম-এর পরিদর্শনে একগুচ্ছ দাবি: নতুন ট্রেন, স্টেশন সংযুক্তিকরণ ও রেলওয়ে ফ্যাক্টরির দাবিতে সরব স্থানীয়রা

বৃহস্পতিবার হাওড়া ডিভিশনের অতিরিক্ত ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার (অপারেশন) শ্রী সচিন সুমনের আহমদপুর-কাটোয়া শাখা পরিদর্শনের সময় এলাকার রেল পরিকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে
এডিআরএম-এর পরিদর্শনে একগুচ্ছ দাবি: নতুন ট্রেন, স্টেশন সংযুক্তিকরণ ও রেলওয়ে ফ্যাক্টরির দাবিতে সরব স্থানীয়রাএডিআরএম-এর পরিদর্শনে একগুচ্ছ দাবি: নতুন ট্রেন, স্টেশন সংযুক্তিকরণ ও রেলওয়ে ফ্যাক্টরির দাবিতে সরব স্থানীয়রা

বৃহস্পতিবার হাওড়া ডিভিশনের অতিরিক্ত ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার (অপারেশন) শ্রী সচিন সুমনের আহমদপুর-কাটোয়া শাখা পরিদর্শনের সময় এলাকার রেল পরিকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে একগুচ্ছ দাবি জানাল স্থানীয় দুটি সংগঠন। দীর্ঘদিনের যাতায়াতের দুর্ভোগ ও এলাকার আর্থ-সামাজিক অনুন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজারের উদ্দেশ্যে স্মারকলিপি তুলে দেওয়া হয়।

‎এদিন ‘আহমদপুর কাটোয়া রেলওয়ে প্যাসেঞ্জার অ্যাসোসিয়েশন’-এর পক্ষ থেকে মূলত তিনটি জোরালো দাবি রেলকর্তার সামনে রাখা হয়। এলাকার নিত্যযাত্রী ও রোগীদের সরাসরি কলকাতা যাতায়াতের সুবিধার্থে আহমদপুর কাটোয়া হয়ে সরাসরি রামপুরহাট থেকে হাওড়াগামী “মা ফুল্লরা ফাস্ট প্যাসেঞ্জার/এক্সপ্রেস” এবং দেওঘর থেকে শিয়ালদহগামী “শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু এক্সপ্রেস” অবিলম্বে চালু করার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি, যাত্রীদের চরম হয়রানি রুখতে আহমদপুর স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম সংযুক্তিকরণের গুরুত্বপূর্ণ দাবিটি তোলা হয়। সংগঠনের বক্তব্য, বর্তমানে আহমদপুরের মেন স্টেশন (প্ল্যাটফর্ম ১, ২, ৩) এবং আহমদপুর-কাটোয়া শাখার স্টেশনের (প্ল্যাটফর্ম ৪, ৫) মধ্যে প্রায় ৭০০ মিটারের দূরত্ব রয়েছে। এতখানি পথ হেঁটে ট্রেন বদল করতে গিয়ে শিশু, বৃদ্ধ ও রোগীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। তাই অবিলম্বে এই প্ল্যাটফর্মগুলিকে একসাথে যুক্ত করার বা ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মের পাশেই নতুন প্ল্যাটফর্ম গড়ার দাবি জানিয়েছে তারা।

‎অন্যদিকে, এলাকার সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে সরব হয়েছে ‘লাভপুর নাগরিক উন্নয়ন সমিতি’। সংগঠনের পক্ষ থেকে লাভপুরে রেলের ফাঁকা জায়গায় একটি ইএমইউ/মেমু (EMU/MEMU) কোচ মেইনটেন্যান্স ইয়ার্ড, ইলেকট্রিক লোকো শেড বা রেল কোচ ফ্যাক্টরি গড়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। অথবা, স্বাস্থ্য পরিষেবা ও পর্যটনের কথা মাথায় রেখে রেলের ওই জায়গায় এইমসের (AIIMS) ধাঁচে কোনো বৃহৎ হাসপাতাল বা রেলের একটি বড় মিউজিয়াম তৈরির দাবিও রেলকর্তার কাছে জোরালোভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

‎স্থানীয়দের আশা, দীর্ঘদিনের উপেক্ষিত এই রেলপথে এমন পরিকাঠামোগত উন্নয়ন ও নতুন ট্রেন চালু হলে বীরভূম ও পূর্ব বর্ধমানের লক্ষাধিক মানুষ উপকৃত হবেন। এখন দেখার, জনস্বার্থে রেল কর্তৃপক্ষ এই জোড়া স্মারকলিপির ভিত্তিতে কত দ্রুত সদর্থক পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

Table of Contents

    No Comments

    তাজা খবর