Last updated: September 1st, 2026 at 05:50 pm

নিউজ ডেস্ক: ৫ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে প্রস্তাবিত CJP-র প্রতিবাদ মিছিল। সেই মিছিল আটকাতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন এক অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিক। কিন্তু মিছিলের আগেই হস্তক্ষেপে রাজি হল না শীর্ষ আদালত। বরং আদালতের বার্তা—আগেভাগে ধরে নেওয়া যায় না, অঘটন ঘটবেই।
৫ সেপ্টেম্বর দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রস্তাবিত প্রতিবাদ মিছিল। আর তাকে ঘিরেই এবার সুপ্রিম কোর্টে মামলা।
আবেদনকারীর অভিযোগ, বড় জমায়েতের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়া হয়নি। তার উপর সামনে রয়েছে দিল্লিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক কর্মসূচি। ফলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
কিন্তু এই যুক্তিতে মিছিলের আগে জরুরি হস্তক্ষেপ করল না সুপ্রিম কোর্ট।
আদালত স্পষ্ট জানায়, এখনই এমন কোনও জোরালো কারণ নেই, যার ভিত্তিতে ধরে নিতে হবে যে মিছিল থেকে অশান্তি হবেই। বরং প্রত্যেকেই শান্তিপূর্ণভাবে এবং আইন মেনে চলবেন—এই বিশ্বাস নিয়েই এগোতে চায় আদালত।
আবেদনকারীর আইনজীবী অবশ্য অতীতের আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে ফের অপ্রীতিকর পরিস্থিতির আশঙ্কা জানান। তাঁর দাবি, পুলিশ বাধা দিলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতে পারে।
জবাবে প্রধান বিচারপতি বলেন, শেষ পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব প্রশাসন ও পুলিশের। তাই উদ্বেগের বিষয়টি কেন্দ্র এবং দিল্লি সরকারের কাছে তুলে ধরার পরামর্শ দেওয়া হয়।
আদালত কেন্দ্র ও দিল্লি পুলিশকে নোটিস দিয়েছে। কিন্তু ৫ সেপ্টেম্বরের মিছিলের আগেই মামলাটি শুনতে রাজি হয়নি বেঞ্চ। পরবর্তী শুনানি ধার্য হয়েছে ১০ সেপ্টেম্বর।
অর্থাৎ, আপাতত CJP-র প্রস্তাবিত প্রতিবাদ মিছিল আটকানোর কোনও নির্দেশ দিল না শীর্ষ আদালত।
বার্তা অবশ্য পরিষ্কার—প্রতিবাদের অধিকার থাকলেও তা হতে হবে আইনি কাঠামোর মধ্যে এবং শান্তিপূর্ণভাবে।
৫ সেপ্টেম্বর মিছিল ঘিরে শেষ সিদ্ধান্ত এখন প্রশাসনের। আর সুপ্রিম কোর্টের অবস্থান—অশান্তির আশঙ্কা থাকলেই আগাম ধরে নেওয়া যাবে না যে অঘটন ঘটবেই।
একটি স্বাধীন ডিজিটাল সংবাদ মাধ্যম, যার লক্ষ্য শুধু সংবাদ পরিবেশন নয়— মানুষের কথা, মানুষের অধিকার এবং সমাজের বাস্তব চিত্রকে নির্ভীকভাবে তুলে ধরা।
Copyright 2026 NGTV News. All rights reserved
No Comments