Last updated: August 28th, 2026 at 01:05 pm

নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে তোলাবাজি ও দুর্নীতি রোখা নিয়ে এবার দলীয় কর্মীদের কড়া ভাষায় খোলা চিঠি দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। চিঠিতে তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, দলের নীতির বাইরে গিয়ে যদি কোনও সদস্য অনৈতিক বা দুর্নীতিমূলক কাজে যুক্ত হন, দল তার দায়ভার একেবারেই নেবে না। বুথ থেকে শুরু করে রাজ্য স্তর পর্যন্ত সমস্ত নেতার ক্ষেত্রেই এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। দুর্নীতি বা অপকর্মের সামান্যতম প্রমাণ মিললে পদ বা অবস্থান নির্বিশেষে কঠোর সাংগঠনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
তবে শমীক ভট্টাচার্যের এই কড়া বার্তা এবং টোল ফ্রি নম্বর চালু করার পরেও নিমচুতলার তোলাবাজি রুখতে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব কতটা সফল, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। শমীক ভট্টাচার্য নিজেও স্বীকার করে নিয়েছেন যে, “সমস্ত কিছুর সমাধান করা যায়নি। আমি যদি বলি সমস্ত জায়গায় তোলাবাজি বন্ধ করে দিতে পেরেছি, তবে ভুল বলব।”
বিজেপি রাজ্য সভাপতির এই চিঠিকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। সোশ্যাল মিডিয়ায় টাকা ফেরত দেওয়ার একটি ভিডিও পোস্ট করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, শমীক ভট্টাচার্যের এই চিঠির কোনও অর্থ নেই। কুণালের সাফ বক্তব্য, “সুকান্ত মজুমদার যাঁকে তোলাবাজ বা স্মাগলার বলেছিলেন, সেই প্রকাশ চিক বরাইককে তো শমীকবাবু রাজ্যসভার সদস্য করেছেন। যাঁদের বিরুদ্ধে একসময় বিজেপি নেতারা বড় বড় কথা বলতেন, তাঁরাই তো এখন ওঁদের কোলে দোল খাচ্ছেন।”
অন্যদিকে, এই পরিস্থিতিকে জটিল বলে স্বীকার করে নিয়েছেন দলেরই প্রবীণ নেতা তথা বিধায়ক দিলীপ ঘোষ। তোলাবাজিকে ‘ক্রনিক অসুখ’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, “তোলাবাজি এখানকার বহু পুরনো অসুখ। এটা সারতে সময় লাগবে। তাই বিভিন্ন রকমের চিকিৎসা চলছে। দল চেষ্টা করছে, তবে তোলাবাজরাও সক্রিয় আছে। এটাকে কীভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা যায়, তার জন্য বিভিন্ন পথ খোঁজা হচ্ছে।”
একটি স্বাধীন ডিজিটাল সংবাদ মাধ্যম, যার লক্ষ্য শুধু সংবাদ পরিবেশন নয়— মানুষের কথা, মানুষের অধিকার এবং সমাজের বাস্তব চিত্রকে নির্ভীকভাবে তুলে ধরা।
contact@ngtvnews.com
+৯১ ৮৪২০৬৫৮৯৯৯
আর্চ স্কোয়ার X2 বিল্ডিং
কলেজ মোড়, সেক্টর ৫
কলকাতা - ৭০০০৯১
Copyright 2026 NGTV News. All rights reserved
No Comments