Homeজেলাভোটটা করাতেই পারলাম না’, প্রায় ১২ ঘণ্টা পরে থানা থেকে ছাড়া পেলেন হুমায়ুন কবীর

ভোটটা করাতেই পারলাম না’, প্রায় ১২ ঘণ্টা পরে থানা থেকে ছাড়া পেলেন হুমায়ুন কবীর

resizeplus_eisamay_2026-10-06_j3j965e9_humayun


নিউজ ডেস্ক: রেজিনগর উপনির্বাচনের দিন সকাল থেকে পুলিশের হেফাজতে ছিলেন নওদার বিধায়ক তথা আমজনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর। প্রায় ১২ ঘণ্টা পর মঙ্গলবার রাতে রেজিনগর থানা থেকে ছাড়া পেলেন তিনি। থানা থেকে বেরিয়েই পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে হুমায়ুনের দাবি, তাঁকে আটকে রাখার কারণে ভোটের ময়দানে নিজের দলের হয়ে কাজই করতে পারেননি। তাঁর কথায়, “ভোটটা করাতেই পারলাম না।”

রেজিনগর উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পরই হুমায়ুন কবীরকে ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হয়। নিজের বুথে ভোট দেওয়ার পর তিনি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রকাশ্যে প্রশ্ন তোলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, তাঁর দলের কর্মী-সমর্থকদের বিভিন্ন জায়গায় বাধা দেওয়া হচ্ছে এবং ভোটপ্রক্রিয়ায় অনিয়ম হচ্ছে। পুলিশের বিরুদ্ধে সরব হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁকে দলীয় কার্যালয় থেকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে পুলিশ তাঁকে নির্বাচনী বিধি ভঙ্গের অভিযোগে গ্রেফতার করার কথা জানায়।

হুমায়ুনকে থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় তাঁর কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটে বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। ভোটের মতো গুরুত্বপূর্ণ দিনে একজন বিধায়ককে থানায় নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘিরে স্বাভাবিক ভাবেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়।

প্রায় ১২ ঘণ্টা থানায় থাকার পর রাতে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। থানা থেকে বেরিয়ে হুমায়ুন অভিযোগ করেন, তাঁকে দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহার করতে দেওয়া হয়নি। ফলে রেজিনগরের বিভিন্ন বুথে তাঁর দলের কর্মীদের সঙ্গে কী ঘটেছে, সে সম্পর্কেও তিনি বিস্তারিত জানতে পারেননি বলে দাবি করেন। তাঁর বক্তব্য, “১২ ঘণ্টা ফোন ছাড়া বন্দি করে রাখা হয়েছিল। ভোটটা করাতে পারলাম না।”

পুলিশ ও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও কটাক্ষ করেন হুমায়ুন। তাঁর অভিযোগ, তাঁকে কার্যত ভোটের ময়দান থেকে সরিয়ে রাখার ফলে নিজের দলের হয়ে কোনও ভূমিকা পালন করতে পারেননি তিনি। যদিও প্রশাসনের বক্তব্য, নির্বাচনী বিধি ভঙ্গ এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনেই তাঁকে আটক বা গ্রেফতার করা হয়েছিল।

এ দিন রেজিনগর কেন্দ্রের বিভিন্ন বুথে ভোটগ্রহণ ঘিরে একাধিক অভিযোগও সামনে এসেছে। বিরোধী দলগুলির একাংশ বুথ থেকে এজেন্ট বার করে দেওয়া, ভোটারদের বাধা এবং অনিয়মের অভিযোগ তুলেছে। অন্য দিকে বিজেপির দাবি, ভোট মোটের উপর শান্তিপূর্ণ ভাবেই হয়েছে। এই পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মধ্যেই রেজিনগরে মোট ভোট পড়েছে ৮০.০৭ শতাংশ।

আগামী ৯ অক্টোবর রেজিনগর উপনির্বাচনের ফল প্রকাশ হওয়ার কথা। তার আগে হুমায়ুন কবীরের এই মন্তব্য এবং ভোটের দিনের ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়তে পারে।

No Comments

    একটি স্বাধীন ডিজিটাল সংবাদ মাধ্যম, যার লক্ষ্য শুধু সংবাদ পরিবেশন নয়— মানুষের কথা, মানুষের অধিকার এবং সমাজের বাস্তব চিত্রকে নির্ভীকভাবে তুলে ধরা।

    LINKS

    ABOUT US

    ফোন নম্বর

    +৯১ ৮৪২০৬৫৮৯৯৯

    আমাদের ঠিকানা

    আর্চ স্কোয়ার X2 বিল্ডিং
    কলেজ মোড়, সেক্টর ৫
    কলকাতা - ৭০০০৯১

    Copyright 2026 NGTV News. All rights reserved