Homeউত্তর ২৪ পরগনাবিরাটিবিরাটিতে SFI-এর সভাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা-ভাঙচুর, কী বললেন বিজেপি বিধায়ক?

বিরাটিতে SFI-এর সভাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা-ভাঙচুর, কী বললেন বিজেপি বিধায়ক?

eisamay_2026-10-02_v62nxkty_SFI

নিউজ ডেস্ক: বিরাটি: SFI-এর সভাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার সন্ধ্যায় উত্তেজনা ছড়াল উত্তর ২৪ পরগনার বিরাটির বণিক মোড় এলাকায়। সভামঞ্চ, চেয়ার ও মাইক ভাঙচুরের পাশাপাশি ফ্লেক্স-ব্যানার ছিঁড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাম ও বিজেপির মধ্যে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। SFI-এর অভিযোগের তির বিজেপির দিকে। যদিও সেই অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে বিজেপি।

জানা গিয়েছে, পুলিশের অনুমতি নিয়েই বিরাটির বণিক মোড়ে সভার আয়োজন করেছিল SFI। সকাল থেকেই সভামঞ্চ তৈরির কাজ চলছিল। বাম সংগঠনের অভিযোগ, মঞ্চ তৈরি এবং মাইক লাগানোর সময় থেকেই সভা বন্ধ করে দেওয়ার জন্য হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। সন্ধ্যায় সভা শুরু হওয়ার আগে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, কয়েকজন এসে মাইক খুলে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তা নিয়ে প্রথমে বচসা এবং পরে হাতাহাতির পরিস্থিতি তৈরি হয়।

এর পরেই সভাস্থলে ভাঙচুর চালানো হয় বলে অভিযোগ। চেয়ার ছুড়ে ফেলা, মঞ্চের সামগ্রী নষ্ট করা এবং ফ্লেক্স ছিঁড়ে দেওয়ার অভিযোগ সামনে এসেছে। কয়েকজন SFI কর্মী-সমর্থক আক্রান্ত হয়েছেন বলেও বামেদের দাবি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে।

বাম নেতৃত্বের অভিযোগ, রাজনৈতিক সভা বানচাল করার উদ্দেশ্যেই হামলা চালানো হয়েছে। তাঁদের দাবি, অনুমতি থাকা সত্ত্বেও সভা করতে বাধা দেওয়া হয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে সিপিএম নেতৃত্ব ঘটনাস্থলে পৌঁছনোর কথা জানায়। একই জায়গায় সভা করার ব্যাপারেও বাম নেতৃত্বের তরফে বার্তা দেওয়া হয়েছে।

অন্য দিকে, বিজেপির পাল্টা বক্তব্য, এই ঘটনার সঙ্গে দলের কোনও যোগ নেই। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, সভায় আপত্তিকর এবং রাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্য বা স্লোগান দেওয়া হচ্ছিল বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ ক্ষুব্ধ হন। দমদম উত্তরের বিজেপি বিধায়ক সৌরভ শিকদারও অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ঘটনাটিকে বিজেপির ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টা হচ্ছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এলাকার সাধারণ মানুষই সভার বিরোধিতা করেছিলেন।

বিজেপির আরও দাবি, স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে বাম কর্মীদের বচসা থেকেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। তবে সভাস্থলে ঠিক কী কারণে ভাঙচুর হল এবং কারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত, তা নিয়ে এখনও অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ চলছে।

ঘটনার পর এলাকায় পুলিশি নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। রাজনৈতিক সভাকে কেন্দ্র করে নতুন করে যাতে উত্তেজনা না ছড়ায়, সে দিকেও নজর রাখছে প্রশাসন। ভাঙচুরের ঘটনায় প্রকৃতপক্ষে কারা জড়িত, তদন্তের পরই তা স্পষ্ট হবে।

No Comments

Copyright 2026 NGTV News. All rights reserved