Last updated: October 9th, 2026 at 08:05 pm

নিউজ ডেস্ক: প্রায় এক বছর ধরে বেতন বন্ধ। সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন শ্রমিকেরা। অনিশ্চয়তার মুখে ছেলে-মেয়েদের পড়াশোনাও। এমনই অভিযোগ তুলে পুজোর মুখে আন্দোলনে নামলেন হাওড়ার দাশনগরের আরতি কটন মিলের শ্রমিকদের একাংশ। বৃহস্পতিবার কারখানার গেটের সামনে হাতে পোস্টার নিয়ে ধর্নায় বসেন তাঁরা। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে বকেয়া বেতন মেটাতে হবে। পাশাপাশি দিতে হবে পুজোর বোনাসও।
শ্রমিকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই কারখানায় উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। তার পর থেকেই তাঁদের আর্থিক অনিশ্চয়তা ক্রমশ বেড়েছে। গত প্রায় এক বছর ধরে বেতন না পাওয়ায় বহু পরিবারের দৈনন্দিন খরচ চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কেনা থেকে শুরু করে সন্তানের পড়াশোনার খরচ জোগাড়—সব ক্ষেত্রেই সমস্যার মুখে পড়ছেন তাঁরা।
পুজো যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে শ্রমিকদের উদ্বেগ। এই সময়ে পরিবারের জন্য নতুন জামাকাপড় কেনা, বাজার করা এবং অন্যান্য খরচ সামলানোর কথা থাকলেও হাতে টাকা নেই বলে দাবি আন্দোলনকারীদের। তাঁদের বক্তব্য, দীর্ঘদিন কাজ ও বেতন না থাকায় সঞ্চয়ও প্রায় শেষের পথে। ফলে উৎসবের আগে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।
শ্রমিকদের দাবি, তাঁদের বকেয়া বেতন মেটানোর পাশাপাশি পুজোর বোনাসের ব্যবস্থাও করতে হবে। সেই দাবিতেই বৃহস্পতিবার কারখানার গেটের সামনে ধর্নায় বসেন তাঁরা। পোস্টার হাতে আন্দোলনের মাধ্যমে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেন শ্রমিকেরা।
অভিযোগ অনুযায়ী, এই কারখানার সঙ্গে যুক্ত প্রায় চারশো শ্রমিক এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যেরা আর্থিক সঙ্কটের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। দীর্ঘদিন উৎপাদন বন্ধ থাকায় শ্রমিকদের ভবিষ্যৎ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কবে কারখানায় ফের কাজ শুরু হবে, আদৌ কবে বকেয়া বেতন মিলবে—এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তাঁরা।
তবে শ্রমিকদের অভিযোগের বিষয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানা যায়নি। বকেয়া বেতন ও বোনাস নিয়ে কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ করবে, তা-ও স্পষ্ট নয়। পুজোর আগে শ্রমিকদের দাবি পূরণ হয় কি না, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।
একটি স্বাধীন ডিজিটাল সংবাদ মাধ্যম, যার লক্ষ্য শুধু সংবাদ পরিবেশন নয়— মানুষের কথা, মানুষের অধিকার এবং সমাজের বাস্তব চিত্রকে নির্ভীকভাবে তুলে ধরা।
contact@ngtvnews.com
+৯১ ৮৪২০৬৫৮৯৯৯
আর্চ স্কোয়ার X2 বিল্ডিং
কলেজ মোড়, সেক্টর ৫
কলকাতা - ৭০০০৯১
Copyright 2026 NGTV News. All rights reserved
No Comments