Homeজেলাশান্তিপুরে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য ঘিরে থানায় অভিযোগ, রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর

শান্তিপুরে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য ঘিরে থানায় অভিযোগ, রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর

নিউজ ডেস্ক : শান্তিপুরে একটি রাজনৈতিক কর্মসূচিতে তৃণমূল সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যকে কেন্দ্র করে তৈরি হল রাজনৈতিক বিতর্ক। অভিযোগ, গত ১৯ সেপ্টেম্বর শান্তিপুরের ঠাকুরবাড়িতে আয়োজিত একটি দলীয় কর্মসূচিতে
WhatsApp Image 2026-09-21 at 5.39.47 AM

নিউজ ডেস্ক : শান্তিপুরে একটি রাজনৈতিক কর্মসূচিতে তৃণমূল সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যকে কেন্দ্র করে তৈরি হল রাজনৈতিক বিতর্ক। অভিযোগ, গত ১৯ সেপ্টেম্বর শান্তিপুরের ঠাকুরবাড়িতে আয়োজিত একটি দলীয় কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ‘গুন্ডা মুখ্যমন্ত্রী’ বলে মন্তব্য করেন। তাঁর বক্তব্যে পুলিশি মামলা ও গ্রেফতার নিয়েও রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়।

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওই বক্তব্য সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পরেই প্রতিবাদ জানায় বিজেপি। শান্তিপুরের বিজেপি বিধায়ক স্বপন কুমার দাস রবিবার রাতে শান্তিপুর থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ জমা দেন বলে জানা গিয়েছে।

অভিযোগকারী বিধায়কের দাবি, একজন আইনজীবী হিসেবে সাংবিধানিক ব্যবস্থা ও আইনের প্রতি দায়িত্বশীল থাকার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। সেই জায়গায় প্রকাশ্যে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সম্পর্কে এই ধরনের মন্তব্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁর। পাশাপাশি, শান্তিপুরের ঐতিহ্যবাহী ঠাকুরবাড়ির মতো একটি ঐতিহাসিক ও ধর্মীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় এমন মন্তব্য করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। অভিযোগকারীর বক্তব্য, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে। কিন্তু কোনও বিরোধের সমাধান রাজনৈতিক সংঘাতের মাধ্যমে নয়, আইন ও বিচারব্যবস্থার পথেই হওয়া উচিত।

উল্লেখ্য, রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর ২৯ জুন ২০২৬ বিধানসভায় একটি আইন পাশ হয়, যা সাধারণভাবে ‘গুন্ডা দমন আইন’ নামে পরিচিত। ১৩ জুলাই থেকে আইনটি কার্যকর হয়েছে। সংগঠিত অপরাধ ও অসামাজিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে প্রশাসনকে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে ওই আইনে।

অন্যদিকে, শান্তিপুরের কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য সরকার পুলিশি মামলা এবং গ্রেফতারকে রাজনৈতিক বিরোধীদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ করেছিলেন। ফলে ঘটনার ক্ষেত্রে অভিযোগকারী পক্ষের বক্তব্যের পাশাপাশি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যও প্রকাশ্যে এসেছে।

এখন বিজেপি বিধায়কের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ কী পদক্ষেপ করে, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

No Comments